শিক্ষার্থীরা পাবে বিনা মূল্যে স্কুল ড্রেস-ব্যাগ-জুতা, পাশে বসুন্ধরা গ্রুপ
আগামী জুলাই থেকে স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বিনা মূল্যে পাবে স্কুল ড্রেস, পাটের তৈরি স্কুলব্যাগ ও জুতা। সরকারের মানবিক এবং বাস্তবসম্মত এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে ব্যবসায়ীদের পাশে চায় সরকার। দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপসহ ব্যবসায়ীরাও স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত দেশব্যাপী শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনা মূল্যে স্কুল ড্রেস, পাটের তৈরি স্কুলব্যাগ ও জুতা বিতরণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে দেশের শীর্ষ শিল্প গ্রুপ বসুন্ধরা শিক্ষার্থীদের স্কুল ব্যাগ এবং জুতা সরবরাহ করবে।
পাশাপাশি বিজিএমইএ-বিকেইমইএ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবে।
এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বুধবার (২৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ে সভাকক্ষে আন্ত মন্ত্রণালয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়। সভা শেষে শিক্ষামন্ত্রী জানান, আগামী জুলাই থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে নির্বাচিত উপজেলায় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। ব্যবসায়ীদের সহযোগিতায় পরবর্তীতে সারা দেশে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
মতবিনিময়সভায় উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিকবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন, বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু, বিটিএমইএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল, বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহানসহ অন্যান্য ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সভা শেষে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘আমরা সবাই রয়েছি, রয়েছেন আমাদের মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং রয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ীরা। সবাই মিলে আমরা আগামী দিনের শিক্ষাব্যবস্থায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার জন্য এগিয়ে এসেছি। আগামী ১৮০ দিনের ভেতরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যে প্রোগ্রামগুলো রয়েছে, প্রথমত হলো প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ব্যাগ এবং ড্রেস বিতরণ।
সেই জায়গায় উদ্যোক্তারা এগিয়ে এসেছেন এবং আমরা তাদের সাধুবাদ জানাচ্ছি। আগামী দিনে আরো সহযোগিতা করবেন সেই জন্য আজকের এই মতবিনিময়সভা।’
ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘অন্যরা যেন আগামী দিনে এগিয়ে আসে এই সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি, বিশেষ করে শিক্ষা খাতে সাহায্য করার জন্য সেই আহ্বান জানাচ্ছি আপনাদের।’
স্কুল ড্রেস, পাটের তৈরি স্কুলব্যাগ ও জুতা কারা পাবে, সংখ্যা কত হবে—প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মোট সংখ্যা কত হবে, এখন বলতে পারব না। পাইলট প্রজেক্টে ইতিমধ্যে আমরা এক লাখের কমিটমেন্ট বিজিএমইএ থেকে পেয়েছি।